সিরাজগঞ্জে শুরু শীতের পূর্ণ আমেজ শুরু কবে থেকে জেনে নিন
সাংবাদিক ও আবহাওয়া বিশ্লেষক মোঃ শাকিল হোসেন
❄️ কবিতা: শীতের আগমনী ❄️
এলো শীত, হিমেল হাওয়া, কুয়াশাতে ঢাকা পথ,
ভোরের রোদে কাঁপে মাঠ, নদীর বুকে নরম ছোঁয়া শীতের রথ।
উত্তর হাওয়ায় কাঁপে ডাল, শিশির ভেজে ঘাস,
সিরাজগঞ্জে নামছে শীত, প্রকৃতির এই রূপ যে চিরন্তন সুবাস।
রোদ কমে, রাত বাড়ে, শীতের সুরে বাজে দিন,
ডিসেম্বরে আসে হেমন্ত–শীত, শহর জুড়ে নেমে আসে শীতল রঙিন।
সিরাজগঞ্জে আসছে ডিসেম্বরের শুরুতেই নামছে শীতের ঘন ছায়া। আবহাওয়া বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের প্রভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হবে। দিন-রাতের তাপমাত্রায় বড় ধরনের তারতম্য, কুয়াশার ঘনত্ব, বাতাসের দিক, আদ্রতা ও সূর্যের ওঠানামা—সব মিলিয়ে শীতের প্রকৃত আমেজে ঢুকে পড়বে সিরাজগঞ্জে।
তাপমাত্রা
দিনে: সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দুপুর ২–৩ টা: তাপমাত্রা কমে দাঁড়াতে পারে ২২ ডিগ্রি।
রাতে: তাপমাত্রা নেমে যাবে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।
ভোরে: ঠান্ডা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হবে—তাপমাত্রা নামবে ১৩ থেকে ১২ ডিগ্রি, কিছু এলাকায় আরও কম হতে পারে।
কুয়াশা
ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাবে।
৫ ডিসেম্বরের পর থেকে কুয়াশার ঘনত্ব আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নদী ও খাল-বিল ঘেরা এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাবে সকালবেলায়।
আদ্রতা
বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ থাকবে ৭০% থেকে ৯০% পর্যন্ত।
বেশি আদ্রতার কারণে ঠান্ডার অনুভূতিও বাড়বে, বিশেষ করে ভোর ও রাতের দিকে।
বাতাস
উত্তরের দিক থেকে বইবে শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাস।
বাতাসের গতি থাকবে ৬–১২ কিমি/ঘন্টা, ফলে সন্ধ্যার পরেই বাড়বে শীতের চাপ।
উত্তর দিকের বায়ুপ্রবাহের কারণে শরীরজুড়ে ঠান্ডা অনুভূতি আরও বাড়বে।
রোদ
সকালে রোদ উঠতে দেরি হবে কুয়াশার কারণে।
দুপুরে হালকা–মাঝারি রোদ পাওয়া যাবে, তবে রোদের তেজ খুবই কম থাকবে।
বিকেলে আবার তাপমাত্রা দ্রুত নামতে শুরু করবে।
আকাশের অবস্থা
১ ও ২ ডিসেম্বর: আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।
মেঘলা আকাশের কারণে রাতে ঠান্ডা আরও বেশি অনুভূত হবে।
সারসংক্ষেপ
৩ ডিসেম্বর থেকেই শীতের স্পষ্ট সূচনা।
দিন মৃদু শীত, রাত ও ভোরে তীব্র শীতলতা।
কুয়াশা, ঠান্ডা বাতাস, বেশি আদ্রতা—সব মিলিয়ে পুরোপুরি শীতকালীন আবহ।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষে শীত আরও বাড়বে।
এই শীতকালীন পূর্বাভাস সিরাজগঞ্জবাসীর জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা ও প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দিতে পারে—বিশেষ করে কৃষি, পরিবহন, নৌযান ও দৈনন্দিন চলাচলের ক্ষেত্রে।

Comments